Tuesday, September 29, 2026

Dua for snick person. অসুস্থ ব‍্যক্তির জন্য দোয়া

 





Dua by the sick person


لَآ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ  لَآ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُۥ  لَآ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُۥ لَا شَرِيْكَ لَهُۥ  لَآ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ

  لَآ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ

(ترمذي)


আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাসনার যোগ্য নেই, তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ব্যতীত উপাসনার যোগ্য আর কেউ নেই, তিনি নিজেই রয়েছেন।

আল্লাহ ব্যতীত উপাসনার যোগ্য কেউ নেই। তাঁর সাথে তাঁর কোন অংশীদার নেই। তাঁর রাজত্ব এবং সমস্ত প্রশংসা। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আমাদের পাপ থেকে নিজেকে বাঁচানোর এবং ভাল কাজ করার ক্ষমতা দান করেন।

(তিরমিযি )

There in none worthy of worship besides Allah, He is the greatest. There is none worthy of worship besides Allah, He is all by Himself.

There is none worthy of worship besides Allah. He has no partner with Him. His is the Kingdom and all Praise. He is the one to grant us the ability to save ourselves from sinning and to do good.

(Tirmizi)


When visiting the sick


لَا بَأْسَ طَهُوْرٌ إِنْ شَآءَ اللهُ

(بخاري)


There is no problem, If Allah wills, He will purge your sins by this illness.

(Bokhari) 


When visiting the sick (7 times)


أَسْأَلُ اللهَ الْعَظِيْمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ أَنْ يَّشْفِيَكَ

(ابو داؤد)


I ask Allah who is the Lofty and the Lord of the Mighty Throne that He cures you.


رب إني مسني الضر وانت ارحم الراحمين- 



হে আমার প্রতিপালক, নিশ্চয়ই বিপদ আমাকে স্পর্শ করেছে এবং আপনিই পরম করুণাময়।

القرآن- 



Writes 

Kazi Dalwarul Azim 

Tuesday, September 9, 2025

সাদিক কায়েম ভিপি পদে জয়লাভ

 







ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। এখন পর্যন্ত ১৬টি হলের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এই ফলাফলে ভিপি পদে আবু সাদিক কায়েম এবং জিএস পদে এস এম ফরহাদ বিপুল ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

ঘোষণা করা ১৬টি হল হলো: সুফিয়া কামাল, ফজলুল হক হল, শহিদুল্লাহ হল, শামসুন নাহার হল, জগন্নাথ হল, জহুরুল হক হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, স্যার এফ রহমান হল, বিজয় একাত্তর হল, জসিমউদ্দিন হল, শেখ মুজিব হল, মাস্টারদা সূর্যসেন এবং জিয়া হল।

  • জগন্নাথ হল: এ হলে আবিদুল ইসলাম খান ১২৭৬ ভোট পেয়ে ভিপি পদে এগিয়ে ছিলেন, অন্যদিকে সাদিক কায়েম পান মাত্র ১০ ভোট। জিএস পদে মেঘমল্লার বসু ১১৭০ ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিলেন।

  • রোকেয়া হল: এই হলে সাদিক কায়েম ১৪৭২ ভোট এবং আবিদুল ৫৭৫ ভোট পেয়েছেন। জিএস পদে ফরহাদ ১১২০ ভোট পান।

  • অমর একুশে হল: সাদিক কায়েম ৬৪৪, আবিদুল ইসলাম ১৪১ ভোট পেয়েছেন।

  • সুফিয়া কামাল হল: সাদিক কায়েম ১২৭০, আবিদুল ইসলাম ৪২৩ ভোট পেয়েছেন।

  • শহিদুল্লাহ হল: সাদিক কায়েম ৯৬৬, আবিদুল ইসলাম ১৯৯ ভোট পেয়েছেন।

  • ফজলুল হক হল: সাদিক কায়েম ৮৪১, আবিদুল ইসলাম ১৮১ ভোট পেয়েছেন।

এই আংশিক ফলাফল থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, প্রধান পদগুলোতে শিবির সমর্থিত প্রার্থীরাই এগিয়ে আছেন।

রিপোর্টার 

কাজী দেলোয়ারুল আজীম । 

Sunday, July 6, 2025

কারবালার ১০টি ভুল বোঝাবুঝি – মিথ‍্যা বনাম সত্য











• অনেকে মনে করেন কারবালার ঘটনা ছিল সুন্নি ও শিয়া দ্বন্দ্ব।

প্রকৃতপক্ষে, এটি ছিল এক জালিম শাসকের বিরুদ্ধে ন্যায়ের এক সাহসী প্রতিবাদ। ইমাম হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন রসূল (সা.)-এর প্রিয় নাতি ও একজন সাহাবি, কোনো দলীয় নেতা নন। তিনি ছিলেন ন্যায়ের পক্ষে, সত্যের সাথী।


• আশুরাকে কেবল শোকের দিন হিসেবে মনে করা হয়।

অথচ এই দিনটির ইতিহাস আরও প্রাচীন ও পবিত্র। এ দিনে আল্লাহ তাআলা মূসা (আ.)-কে ফেরাউনের জুলুম থেকে রক্ষা করেছিলেন। রসূল (সা.) কৃতজ্ঞতাবশত এই দিনে রোজা রাখতেন এবং তা এক বছরের গুনাহ মাফের কারণ বলে উল্লেখ করেছেন। (সহীহ মুসলিম: ১১৬২)


• তাজিয়া, শোক মিছিল ও শরীর আঘাত করার মতো আচার অনেকের কাছে ধর্মীয় অনুষঙ্গ।

অথচ ইসলামে এমন কিছুর অনুমতি নেই। রসূল (সা.) ও সাহাবিগণ কখনও এভাবে শোক পালন করেননি। বরং দেহে আঘাত করা, উচ্চস্বরে কান্নাকাটি করা নিষিদ্ধ কর্ম। (সহীহ বুখারী: ১২৯৪) .


• ইমাম হুসাইনকে শুধু শিয়াদের নেতা হিসেবে ভাবা হয়।

কিন্তু তিনি ছিলেন সমগ্র উম্মাহর গর্ব, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয় নাতি এবং জান্নাতী যুবকদের সরদার। (সহীহ তিরমিযী: ৩৭৬৮) তাঁর ব্যক্তিত্ব সকল মুসলমানের কাছে অনন্য ও গ্রহণযোগ্য। 


• কারবালায় রসূল (সা.)-এর পরিবার সম্পূর্ণরূপে শহীদ হয়েছেন—এমন একটি ধারণা ছড়িয়ে আছে।

সত্য হলো, ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর কিছু সাহসী সাথী শাহাদাতবরণ করেন; পরিবারের অনেক সদস্য জীবিত ছিলেন এবং ইসলামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।


• বিশ্বাস করা হয়, আশুরায় বিশেষ রান্না না করলে দুর্ভিক্ষ নেমে আসে।

এটি একটি কুসংস্কার ছাড়া কিছু নয়। শরিয়তে এমন কোনো বিধান নেই। বরং বিশেষ খাবার রান্না করে তাকে বাধ্যতামূলক মনে করাটা বিদআতের অন্তর্ভুক্ত।


• কেউ কেউ দাবি করেন, আশুরার রাতে আকাশে রক্তের দাগ দেখা যায়।

এ বিশ্বাসের কোনো ঐতিহাসিক, বৈজ্ঞানিক বা শরয়ি ভিত্তি নেই। এটি লোককথা ও অতিরঞ্জিত আবেগের ফসল।


• আশুরার রাতে মোম জ্বালানো, পানি বিতরণ, কবর জিয়ারতের মতো কাজকে বাধ্যতামূলক মনে করা হয়।

অথচ এসব রসূল (সা.) কিংবা সাহাবিদের কোনো আমল নয়। এগুলোকে ধর্মীয় আবশ্যকতা মনে করাটা একপ্রকার বিদআত।


• "ইয়া হুসাইন" বলে আহাজারি করলে গুনাহ মাফ হয়—এমন ধারণা প্রচলিত।

ইসলামে দুআ একমাত্র আল্লাহর কাছেই করতে হয়। কারও নামে সাহায্য চাওয়া শিরকের সীমানায় পড়তে পারে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।


• অনেকে বিশ্বাস করেন, তাজিয়া মিছিলে অংশ নিলে মনের ইচ্ছা পূরণ হয়।

ইসলামে এমন বিশ্বাসের কোনো ভিত্তি নেই। এটি বিদআতের আওতায় পড়ে এবং শিরকের আশঙ্কাজনক দরজাগুলোর একটি।


উপসংহার

কারবালার ঘটনা আমাদের শেখায় অন্যায়ের মুখে মাথা নত না করা, সত্য ও ইনসাফের পথে অবিচল থাকা। আমরা যেন আবেগে নয়, সহীহ জ্ঞান ও বিশুদ্ধ আমলের মাধ্যমে আশুরার তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারি। আল্লাহ আমাদেরকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করে সঠিক পথের দিশা দিন।

সংগ্রহকৃত। 

কাজী দেলোয়ারুল আজীম 


Dua for snick person. অসুস্থ ব‍্যক্তির জন্য দোয়া

  Dua by the sick person لَآ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ    لَآ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُۥ    لَآ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُۥ ...